• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল থামছে না কেন?

Reporter Name / ১১৩ Time View
Update : বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২০




গত কয়েক দশকের মধ্যে দাবানল পরিস্থিতির দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে। সেপ্টেম্বরে দাবানল লাগার পর থেকে দেশটির বিশাল অংশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

দাবানলের কারণে এ কয়েক মাসে গোটা অস্ট্রেলিয়ায় এক ডজনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। অস্ট্রেলিয়ার সব প্রদেশেই এখন দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নিউ সাউথ ওয়েলসের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ।

কারণ দাবানলে শুধুমাত্র এ প্রদেশেই বিধ্বস্ত হয়েছে ৯০০ টির বেশি ঘরবাড়ি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশ, প্রদেশ এবং কর্তৃপক্ষের সহায়তায় দেশটির দাবানল প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত আছে। কিন্তু ক্রমাগত তাপ এবং খরার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।

আগুনের প্রচণ্ড তাপে এরই মধ্যে এ প্রদেশের গাছপালা ঘেরা বিভিন্ন অঞ্চল, বনাঞ্চল, নীল পর্বতমালার মতো জাতীয় উদ্যান পুড়ে গেছে। মেলবোর্ন এবং সিডনি সহ অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি বৃহত্তম শহরও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । এসব এলাকায় আগুনের কারণে বাইরের শহরতলিতে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে সিডনির পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যে সেখানে বাতাসের গুণগত মান বিপদসীমার ১১ গুণ বেশি ছিল।

প্রতি বছর গ্রীষ্মের সময় অস্ট্রেলিয়ায় দাবানল লাগে। তবে গরম এবং শুকনো আবহাওয়া হাওয়ার কারণে এ দাবানল আরও ছড়িয়ে পড়ে। বেশিরভাগ সময় প্রাকৃতিক কারণ বিশেষ করে খরায় ক্ষতিগ্রস্ত বনাঞ্চলে বজ্রপাতের জন্য দাবানল হয় বলে মনে করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ও ইন্দানেশিয়াতেও এরকম দাবানল হয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার মতো সেখানকার এতটা ছড়িয়ে পড়ে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবল বাতাস আর তাপদাহের কারণে অষ্ট্রেলিয়ার দাবানল এতটা ছড়িয়ে পড়ছে।

দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দশকের মধ্যে খরার দিক দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে। বসন্তের সময় অর্থাৎ গত ডিসেম্বরে দেশটিতে সবোর্চ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় তাপমাত্রা 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর চেয়েও বেশি ছিল। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন এবং ধোঁয়া আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সে কারণে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে।

প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি অনেকে মানুষকেও এ দাবানলের জন্য দায়ী করছেন। গত বছর ইচ্ছকৃতভাবে কয়েকটি বাড়ি অগ্নিসংযোগের কারণে একজন আটক করে পুলিশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগুনও বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় তৈরি করছে।

অস্ট্রেলিয়ায় সবেমাত্র গ্রীষ্মকাল শুরু হয়েছে। সাধারণত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে এখানকার তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। এ কারণে খুব শিগগিরই দেশটি হয়তো দাবানল নিয়ে স্বস্তিতে থাক পারছেন না বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন।

তারা বলছেন, খুব শিগগিরই আগুন পুরোপুরি নেভার কোনো সম্ভাবনা নেই কারণ প্রতি বছরই এ ঘটনা ঘটে। তবে শিগগিরই যদি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা না নেয়া হয় তাহলে আগামীতে হয়তো অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom