• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




আজ ১১ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ মুক্ত দিবস

Reporter Name / ৯৪ Time View
Update : বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯




আজ ১১ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সারের আজকের এই দিনে ৭ নম্বর সেক্টরের সহ-অধিনায়ক বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণপন যুদ্ধ করে পাক সেনাদের বিতাড়িত করেন এবং শিবগঞ্জকে মুক্ত করে এবং বর্তমান উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কানসাট ইউনিয়নের পুখুরিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম ছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর সাব-সেক্টরের চারলি কমান্ডার ছিলেন।শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউপির আবুল খায়ের বিশ্বাসের বাড়িতে থাকা ক্যাম্পের ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধারা ৬ নভেম্বর পাক সেনাদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে পরাস্ত করে কানসাট অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকে। ৩০ নভেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর বালিয়াদিঘী-সোনামসজিদ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে ধোবড়া এলাকায় পাক সেনা অবস্থানে আক্রমণ চালান।
৬ ডিসেম্বর ধোবড়া এলাকায় মুক্তিবাহিনী পাক সেনাদের পরাস্ত করে সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ডিফেন্স বসায়। ওই সময় ২০/২৫ জন পাক সৈন্য মারা যায় বলে জানান শিবগঞ্জের কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা।৮ ডিসেম্বর বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পাক বাহিনী বিনোদপুর ও মনাকষা এলাকার শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসীকে ঘরে আটকে আগুনে পুড়িয়ে মারে এবং পরদিন ওই স্কুল মাঠেই বর্তমান স্মৃতিশোধ এলাকায় ৫০/৫৫ জন শিক্ষিত ব্যক্তিদের দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে।
খবর পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা (সাবেক এমপি) মো. শাহজাহান মিয়া ও আমানুল্লাহ বিশ্বাসের বাহিনী এবং মনাকষা এলাকায় মইনউদ্দিন আহম্মেদ মন্টু ডাক্তারের মুক্তিবাহিনী ত্রিমুখীভাবে আক্রমণ করে সম্মুখ যুদ্ধে মিলিত হয়ে ৬/৭ জন পাক সেনাকে হত্যার পর শিবগঞ্জ অভিমুখে অগ্রসর হতে থাকে।একইভাবে চককীর্তি ধাইনগরসহ আরো বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের দলগুলো শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে মিলিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের দিকে পিছু হটিয়ে ১১ ডিসেম্বর বিকেলে (বীরশ্রেষ্ঠ) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর পৌঁছে (বর্তমান উপজেলা পরিষদ চত্বর) জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে শিবগঞ্জকে মুক্ত অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
পরদিন ১২ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদরের দিকে এগুতে থাকে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom