• মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




করোনা থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

Reporter Name / ৫২৫ Time View
Update : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০




বিশ্বের ৮০ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। বিশ্বে করোনাভাইরাসে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। আর তিন হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের টিকা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হচ্ছে জানা ও প্রতেরোধ করা। তবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কাউকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত করা যায়নি। এই ভাইরাস নিয়ে এথন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন প্রশ্ন হলো– আক্রান্ত হলেই কি মৃত্যু নিশ্চিত।

সারা বিশ্বে করোনাভাইরাস নিয়ে প্রতিনিয়ত উদ্বেগ বাড়ছে। এই রোগে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকলেও তাদের এসব বিষয় সম্পর্কে জানাতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো– কোমলমতি শিশুরা করোনাভাইরাস সম্পর্কে কিছুই জানে না। আর তারা অনেক কিছু বুঝতেও চায় না।

আসুন জেনে নিই শিশুকে কীভাবে বোঝাবেন করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে? তার মনে ভয় কীভাবে দূর করবেন?

ডা. পুনম কৃষ্ণা যুক্তরাজ্যের একজন চিকিৎসক। এই চিকিৎসকের চার বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সম্পর্কে শিশুদের বোঝাতে হবে। আমাদের যেমন ঠাণ্ডা লাগে, পেট খারাপ হয় ও বমি হয়। এই ভাইরাস তেমনি।

তিনি বলেন, বাবা-মায়ের উচিত শিশুদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। নতুবা সে স্কুলে বা বন্ধুদের কাছ থেকে ভুল তথ্য পাবে।
তিনি বলছেন, ৬-৭ বছর বয়সী বা তাদের নিচে যাদের বয়স তাদের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা হলো তারা যা শুনবে তাতেই বিচলিত হবে। কারণ তাদের বাবা-মায়েরা তাদের আশপাশেই বিষয়টি নিয়ে আলাপ করছে।

ডা. উলফসন স্বীকার করছেন, যে কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারে না যে তার শিশু এতে আক্রান্ত হবে কিনা। আমাদের উচিত স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় জানা।
তিনি বলেন, নিয়মিত হাত ধোয়ার বিষয়টি শিশুদের শেখাতে হবে।
তার সঙ্গে একমত পোষণ করে ডা. কৃষ্ণা বলছেন, নিজেকে রক্ষা করার জন্য যেমন শিশুর সঙ্গে হাত ধোয়ার মতো বিষয়টি নিয়ে গল্প করা।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিশুদের মনে করিয়ে দেয়া। ছোট শিশুরা খুব কৌতূহলী হয়।

ডা. কৃষ্ণা বলছেন, শিশুরা সবকিছু ছুঁয়ে দেখে। স্কুলে বন্ধুদের সঙ্গে খাবার ও পানীয় আদানপ্রদান করে, যা রোগজীবাণু ছড়ানোর অন্যতম কারণ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom