• রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর পাঠ করতে হবে নতুন শপথবাক্য। এক নজরে দেখে নিন নতুন শপথ বাক্য টি! সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম




করোনা সারবে ভেবে মিথানল খেয়ে ইরানে ৩০০ জনের মৃত্যু

Reporter Name / ৮৬৩ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০




করোনাভাইরাসের সারবে ভেবে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর মিথানল পান করে ইরানে প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ আরও এক হাজার। ইরানে মদ্যপান আইনত নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এমন কাণ্ড ঘটেছে।

চোরাপথে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে বেআইনি কারবারিদের কাছ থেকে ওই অ্যালকোহল কিনে খেয়েছিলেন তারা। তারা জানতেন না মদের নামে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর মিথানল বিক্রি করা হচ্ছিল। তার জেরে এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে করোনা থাবা বসাতেই লোকজনের মধ্যে অ্যালকোহল কেনার ঝোঁক বাড়ে। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে থাকে অ্যালকোহল করোনার সংক্রমণকে দূরে রাখতে পারে। যদিও, আসল সত্য তা নয়। বিশেষজ্ঞরা অ্যালকোহল মিশ্রিত হ্যান্ড স্যানিটাইজারে বারবার হাত ধোওয়ার কথা বললেও, কেউই দাবি করেননি মদ্যপানে করোনার সংক্রমণ প্রতিহত করা যায়। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া বার্তার জেরে লোকজনের মধ্যে অ্যালকোহল খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তার জেরেই এই ভয়ানক বিপত্তি।

ইরানে ইতিমধ্যে করোনায় প্রায় আড়াই হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন। মিথানলের বিষক্রিয়া নিয়ে কাজ করা অসলোর ক্লিনিক্যাল টক্সিকোলজিস্ট ডক্টর কনুত এরিক হোভডা মনে করেন, ইরানে করোনাভাইরাস আরও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom