• বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




কুমিল্লায় ৫২২ পিস ইয়াবাসহ সহকারী প্রধান কারারক্ষী আটক

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০




কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী প্রধান কারারক্ষী তরিকুল ইসলাম শাহিন ১০৪ পিস ইয়াবা নিয়ে কারাগারের ভিতর প্রবেশ করার আগ মুহুর্তে হাতে নাতে ধরা খেল সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহজাহান আহমেদের কাছে। পরে কারা ব্যারাকে তার রুম তল্লাসী চালিয়ে কারাগার কর্তৃপক্ষ তার বিছানার নিচ থেকে আরো ৪১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে।

কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার এ কথা নিশ্চিত করেছেন।আটককৃত তরিকুল ইসলাম শাহিন চট্রগ্রাম জেলার সিতাকুন্ড উপজেলার ইয়াকুব নগরের ফুল মিয়ার ছেলে। সে ১৯৯৬ সালের ১৫ জুন চাকুরীতে যোগদান করে।কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহজাহান আহমেদ সোমবার দুপুরে জানান, আমি কুমিল্লা কারাগারে যোগ দেওয়ার পরেই বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পেরেছি সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. তরিকুল ইসলাম শাহিন (কারা রক্ষী নং ২১৫৯৯)কারাগারের ভিতর বন্দিদের কাছে মাদক কেনা বেচা করে।

এ কথা শুনেই তাকে হাতে নাতে ধরার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেই। গোপন সংবাদে জানতে পেরেছি আজ (৬ এপ্রিল) সোমবার সে ইয়াবা নিয়ে ডিউটিতে আসছে। তাই আমরাও সতর্ক থাকি। বেলা সাড়ে ১১ টায় সে যখন ভিতরে প্রবেশ করবে এমন সময় কারা সিপাহী দিয়ে তাকে আমার রুমে ডেকে আনি।

এ সময় জেলার মো.আসাদুর রহমানসহ অন্যান্য ডেপুটি জেলারদের আগেই উপস্থিত রাখি। সবার সামনে সহকারী প্রধান কারারক্ষী তারিকুল ইসলাম শাহিনের দেহ তল্লাসী করলে তার পকেটে থাকা সিগারেটের প্যাকেটের ভিতর ১০৪ পিস ইয়াবা খুঁজে পাই। পরে কারাগারের অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যারাকে তার রুমে তল্লাসী চালিয়ে বিছানার নিচ থেকে আরো ৪১৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার করি।

এ নিয়ে মোট ৫২২ পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে সে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারের ভিতর বন্দিদের মাঝে মাদক কেনা বেচা করত বলে স্বীকার করেছে।এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom