• রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




খেঁজুর রস আহরণে গাছ পরিচর্যা

Reporter Name / ৬৩৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯




শীতের আগমন তাই গাছিরা খেঁজুর রস আহরণে গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। জমির সিমানা ও আঁকাবাঁকা পথের দু’ধার, ডোবা-পুকুরের পাড়ে সারি সারি খেঁজুর গাছগুলো এখন পরিচর্যা চলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপক‚ল অঞ্চলে শীতের উপস্থিতি একটু দেরিতে শুরু হয়। খুলনার পাইকগাছায় শীতের আগমনীতে গাছিরা খেঁজুর রস সংগ্রহে গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে। গ্রামীণ জীবনে শীত এক ভিন্ন মাত্রা নিয়ে আসে। নানা স্বপ্ন আর প্রত্যাশায় নিয়ে অনেকটা সময় কেটে যায় গ্রামের মানুষের। গাছিরা রস সংগ্রহে সারাদিন গাছ পরিচর্যা করেন। গাছিদের বহু কষ্টের মাঝেও প্রাপ্তি খেঁজুর গাছের রস আহরণে।

গাছিদের কাছে শীত এক কর্মব্যস্ত আনন্দময় সময়। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সাথে খেঁজুরের রস ও শীতকালের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক। শীতের মূল উৎসবই হলো শীতের পিঠাপুলি ও পায়েশ। যার মূল উপাদান খেঁজুরের রস, ঝোলাগুড় ও পাটালী। শীতের সকালে রোদে বসে যেমন পিঠা খেতে শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ সকলের ভালোবাসেন। সব বয়সের মানুষ মেতে উঠে পিঠা খাওয়ার উৎসবে। কয়েকজন গাছির সাথে কথা বলে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় বিভিন্ন গ্রামে খেঁজুরগাছ পরিচর্যার কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন রস সংগ্রহের পালা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৪৬ হাজার ২শত রস আহরণযোগ্য খেঁজুরগাছ রয়েছে। গাছি আফিল উদ্দীন জানান, অন্য সময় অন্য কাজ করলেও শীতে খেঁজুরের রস সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন। এ অঞ্চলে খেঁজুর রসের পর্যাপ্ত চাহিদা থাকায় ভালো আয় করেন।

উপজেলার গদাইপুর, গোপালপুর, রাড়–লী, কপিলমুনি, মঠবাটী, পুরাইকাটী, মালথ, সিলিমানপুর সহ প্রায় সব গ্রামে কম বেশি খেঁজুর গাছ রয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে খেঁজুর গাছ থেকে রস আহরণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। তাছাড়া গাছির অভাবে অনেক গাছ থেকে রস আহরণ করা যায় না। প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে খেঁজুর গাছের ভ‚মিকা অপরিসীম। তাই কৃষি অফিস থেকে এলাকার খেঁজুর গাছ রোপন করার জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom