বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:০১ অপরাহ্ন
Title :
রাণীনগরে সপ্তাহ ব্যাপী নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক আলোচনা সভা রাণীনগরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন রাণীনগরে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভা গাইবান্ধায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ-এর সাথে নিযাচা’র মতবিনিময় সভা রাণীনগরে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাণীনগরে নিখোঁজের চার দিনের মাথায় পুকুর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পেলেন “নৌকা” সম্পাদক নিলেন “মটরসাইকেল”প্রতিক নড়াইলে মাশরাফির পক্ষ থেকে আশরাফুজ্জামান মুকুলের নেতৃত্বে বিশাল শোডাউন রিয়েলিটি শো “বাংলার গায়েন” ১০০ জন প্রতিযোগীতার মধ্যে অবস্থান করে নিয়েছেন নওগাঁর মেয়ে নূসরাত মাহী। রাণীনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের ধুম শুরু




নিন্দা করে বিজয়কে ঠেকানো যায় না: প্রসঙ্গ উপনির্বাচন নওগাঁ ৬

Reporter Name
  • আপডেট টাইম: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এম মতিউর রহমান মামুন: তারা জানেন কী না, আনোয়ার হোসেন হেলাল জন্মগত আওয়ামী লীগের সদস্য, হোঁচট খেয়ে হাটতে শিখেছেন , আত্রাই রাণীনগরের দুঃসময়ের নেতাকর্মির তালিকা খুঁজলে তাঁর নাম পাওয়া যাবে তাতে সন্দেহ নেই, তার চেয়ে বড় কথা তিনি সাধারণের নেতা, তিনি সামগ্রিক । বিধায় তিনি সফলও হবেন। দল তাঁকে নমিনেশন দিয়েছে এ জন্য আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ডের সকল সদস্যকে সামাদৃত হবেন। একটি মহল সুকৌশলে আনোয়ার হোসেন হেলালের নামেও কুৎসা রটিয়ে ভোটের মাঠে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাদেরকে ভাবতে হবে গণমানুষের আন্তরে যাদের স্থান তার নামে যত বদনামই করতে যান না কেন ফল হবে তার বিপরীত, ইতিহাসে তার যথেষ্ট প্রমানও আছে।

আপনারে দীপ করি জ্বালো/আপনার যাত্রাপথে
/ আপনিই দিতে হবে আলো।
রবীন্দ্রনাথের

অবিনাসী কবিতা কবিতা দিয়ে এই কারনে শুরু করতে হলো যে, কারও বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে বা কারও বদনাম করে নিজকে আলোকিত করা যায়না বরং আলোকিত পথ অন্ধকার হয়ে যায়। এই তো কদিন আগে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেও বুদ্ধিজীবী জনৈক স্যার ঢাকায় আমাকে বলেছিলেন, ‘মামুন আওয়ামী লীগের ক্ষতি সাধন করার জন্য বিএনপি জামাত শিবিব শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে আর সময় মত তারা তা করে নেয় । স্যারের কথার মানে তখন বুঝিনাই। আজ পরিস্কার বুঝতে পারছি যখন আত্রাই রাণীনগরে আনোয়ার হোসেন হেলাল কে আওয়ামী লীগের মাঠের রাজনিতীতে যথার্থ বিবেচনা করে নমিনেশন দেওয়ার পর তাঁকে নিয়ে একটি মহল নানা রমক কৌশল অবলম্বন করে তাকে বিতর্কিত করার বেশ অপচেষ্টা শুরু করছে। আত্রাই রাণীনগের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র খুব একটা কাজে লাগবে বলে আমার মনে হয়না। কারন গ্রাম থেকে উপজেলা পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মির সক্ষমতা, সাংগঠনিক শক্তি, একতা, মেধা, প্রজ্ঞা নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন নেই।

আওয়ামী লীগ আনোয়ার হোসেন হেলালকে নমিনেশন দিয়েছে তা নেতাকর্মি গ্রহণ করেছেন। সুতরাং তাঁকে বির্তকিত করে ফায়দা নেওয়ার অপচেষ্টায় যারা লিপ্ত আছেন তাদের অপচেষ্টা বুমেরাং হবে তা সময়ের বেপার। অতিতেও এমন আওয়ামী লীগ ও নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছিলেন বি,এনপি নেতা আলমগীর কবির। তার অপপ্রচারের ধরনটা ছিল আলাদা তিনি ধর্মীয় সেন্টিমেন্টের সুরসুরি দিয়ে কিছু বাহিনী ব্যাবহার করে সফলও হয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে মিথ্যা কথা বলে ধর্মপ্রান মামুষকে ঠকিয়ে এমপি হওয়ার ফলাফল তিনি নিজেই পেয়েছেন তা আলোচলার প্রয়োজন হয়না। এবারে তাদের ধরন, কৌশল আলাদা তারা যে কোন মূল্য আওয়ামী লীগের কর্মীদের মাঝে বিভেদ তৈরী করে মাঠে টিকিয়ে নির্বাচনের বৈতরণী পার করতে চায় তা মোটেও সম্ভব নয়।

যাহোক আওয়াী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ড আনোয়ার হোসেন হেলাল কে নমিনেশন দিয়েছে বিধায় তাঁকে নিয়ে সমালোচনা, ষড়যন্ত্রের পরিস্কার জবাব দেওয়ার জন্য মাঠ নেতারা প্রস্তুত বলেই মনে হচ্ছে । কদিন আগে সদ্য প্রয়াত সাংসদ ইসরাফিল আলমের নামে কুৎসা রটিয়েছে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি নষ্টের বেশ চেষ্টা করা হয়েছে লাভ করতে পারেনি এই জন্য যে, আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড থেকে উপজেলা পর্যন্ত প্রতিটা কমিটিতে বেশ কিছু ত্যাগী, আদর্শবাদী, পরিশ্রমি গুণী নেতাকর্মি আছেন যাঁরা যে কোন পরিস্থিতি সামলে নিতে সক্ষম।

তারা মানেন তাঁদের নেতা নিতী , আদর্শ , পথ , মার্কা সবই এক। তবে একথা সত্য যে বৃহৎ দল হিসাবে একটা নেতা হওয়ার প্রতিযোগিতা আছে। দলে প্রতিযোগিতা থাকা ভালো তবে চেয়ার দখলের লালসায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করে জনসেবার নামের এই পবিত্র পেশা লোভের দাসে যেন পরিনত না হয় সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরী । লাফিয়ে নদী পার হওয়া কিছু নেতার মধ্য এ ধরণের প্রবনতা কাজ করে বেশি। তাদের কে বলি পদ পদবীর চেয়ে দলকে সু-সংগঠিত করা বঙ্গবন্ধুর নীতি অদর্শ্যর মধ্যই পরে, যাঁরা এই কাজটা করতে পারবেন দলই তাদের ডেকে নিবে ।

আর যাঁরা নেহায়েত মনে করছেন রাজনীতি করা মানেই যে কোন মূল্যে একবার চেয়ারম্যান, এমপি, হওয়া তাঁদের কথা আলাদা। আমাদের মনে রাখতে হবে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কিন্তু প্রধানমন্ত্রীও হতে চাননি, চেয়েছিলেন পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে জাতীকে মুক্ত করে স্বাধীন দেশে মুক্ত আলো বাতাসে পরের প্রজন্ম যেন বলতে পারে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।

বলে রাখা দরকার নেতা বা এমপি হওয়ার বাসনা শ্রেনী বিশেষ থাকবে তবে অসুস্থ প্রতিযোগিতা দলের কী যে সর্বনাশ ঘটাতে পারে তা একবার ভেবে দেখতে হবে । যেমন দৈত্যরাজ নিকুম্ভের দুই পুত্র সুন্দ ও উপসুন্দ ব্রহ্মার কঠোর তপস্যা করে ত্রিলোক বিজয়ের জন্য অমরত্ব প্রার্থণা করেন। কিন্তু ব্রহ্মা এদের অমরত্বের বরদান করতে সম্মত হন নি। তবে তিনি বলেন যে, স্থাবর-জঙ্গমের কোন প্রাণী তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। যদি এদের মৃত্যু হয় তবে পরস্পরের হাতেই হবে। এই বর পাবার পর তারা দেবতাদের উপর নিপীড়নে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। তখন দেবতারা প্রাণ রক্ষা করার জন্য ব্রহ্মার নিকট প্রার্থনা করেন এদের বধ করার জন্য।

ব্রহ্মা এদের বধ করার জন্য পরমা সুন্দর এক রমনীর সৃষ্টি করলেন। ত্রিভুবনের সমস্ত উত্তম জিনিস তিল তিল করে সংগ্রহ করে ব্রহ্মা এক অতুলনীয়া নারী সৃষ্টি করেন। তিল তিল সুন্দর বস্তু মিলিত হয়ে এই সুন্দরী সৃষ্টি হয়েছিল বলে এর নাম হয় তিলোত্তমা। তিলোত্তমাকে সৃষ্টির পর ব্রহ্মা সুন্দ ও উপসুন্দরের নিকট পাঠিয়ে দেন। তিলোত্তমা এদের দুই জনের সামনে নৃত্য করতে থাকে। সুন্দ ও উপসুন্দ তিলোত্তমার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে পাবার জন্য পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হন। এতে একে অন্যের হাতে নিহত হন। তাই বলে রাখা দরকার জনসেবার নামে এই মহান পেশা কোন ক্রমেই যেন লোভের কাছে বন্দি না হয়।

স্মরণ করিয়ে দেওয়া দরকার রামায়নের সীতাদেবী ছিল রামের পরম প্রেম ও ভালোবাসা কাছে বন্দী কিন্তু রাবনের লোভের কাছে সীতাদেবী যখন বন্দী হলো ঠিক ধ্বংস কিন্তু সেখানেই হয়েছিল। গত ২৭ জুলাই নওগাঁ ৬ আসনের এমপি বর্ষীয়াণ নেতা ইসরাফিল আলমের মৃত্যুর পর হারানো আসন ফিরে পেতে একটি মহল প্রয়াত সাংসদের নামে নানা মিথ্যা গল্প ও কুৎসা তৈরী করে সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রচারে সরব ছিল।

অভিযোগ ইসরাফিল আলম গণ বিচ্ছিন্ন, মানুষের ভূসম্পত্তি দখল করেছে এমন। তার মানে আওয়ামী লীগ এত দিন যাকে ভোট দিয়ে এমপি বানিয়েছেন তাকে বিতর্কিত করে ভোটের মাঠে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা । তাও আবার প্রাচার করার সময় হল মৃত্যুর পর যখন উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের নিজ প্রার্থীর জয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ঠিক তখন। বাহঃ কী চমৎকার অভিলাস! এমন কথা বললেই আত্রাই রাণীনগরের মানুষ তাদের দিকে হুমরি খেয়ে নাচতে নাচতে বলবে আসুন আসুন ভোট নিয়ে যান! তারা বুঝেন কী না, আনোয়ার হোসেন হেলাল জন্মগত আওয়ামী লীগের সদস্য, হোঁচট খেয়ে হাটতে শিখেছেন , আত্রাই রাণীনগরের দুঃসময়ের নেতাকর্মির তালিকা খুঁজলে তাঁর নাম পাওয়া যাবে তাতে সন্দেহ নেই, তার চেয়ে বড় কথা তিনি সাধারণের নেতা, তিনি সামগ্রিক । বিধায় তিনি সফলও হবেন।

দল তাঁকে নমিনেশন দিয়েছে এ জন্য আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি বোর্ডের সকল সদস্যকে সামাদ্রিত হবেন। একটি মহল সুকৌশলে আনোয়ার হোসেন হেলালের নামেও কুৎসা রটিয়ে ভোটের মাঠে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন তাদেরকে ভাবতে হবে গণমানুষের আন্তরে যাদের স্থান তার নামে যত বদনামই করতে যান না কেন ফল হবে তার বিপরীত, ইতিহাসে তার যথেষ্ট প্রমানও আছে।

যেমন বাংলার স্বাধীন শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করার পরেও ইংরেজরা যখন বুঝলেন বাঙালির মন থেকে নবার প্রীতি মুছে যায়নি, তখন তারা চিন্তা করলেন বাঙালির মন থেকে নবাবকে চিরতরে মুছে ফেলতে হবে। ইংরেজরা তখন বাঙালি ভারাটিয়া লেখক নবীন চন্দ্রকে ডেকে বললেন নবাবের বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প তৈরী করো বই লেখ । আর গল্পটা এমন ভাবে তৈরী করবে যে, নবাব অত্যাচারী ছিল, মানুষের যুবতী মেয়ে ধরে এনে ধর্ষণ করতো। মেয়ে যদি গর্ভবতী হয় নবাব পেটে লাথি মারতো এমন আরও কিছু। লেখক যথারীতি গল্পও লিখলেন এবং বাঙালিদের মধ্য বই লিখে প্রচারও করলেন । তাতেও যখন তেমন কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হলোনা তখন ইংরেজরা লেখক নবীন চন্দ্রকে ডেকে বললেন বাঙালিরা বই পড়ছেনা, বরং এবার তুমি নাটক তৈরী করো এবং মঞ্চে বাস্তব অভিনয় দেখাও নবাব কিভাবে যুবতী মেয়ে কে ধর্ষণ করত, কিভাবে পেটে লাথি মারতো, এবং তুমি নিজে দর্শকের গ্যালারিতে বসে শুনবে দর্শক কি বলে। নাটক মঞ্চায়ণ শুরু হল লেখক দর্শক সারিতে বসে নাটক উপভোগ করছে। সত্যি সত্যিই যখন উন্মুক্ত মঞ্চের উপর ধর্ষণ দেখাতে লাগলো সাধারণ দর্শক মিথ্যাকে সহ্য করতে না পেরে আবেগে ফেঁটে পরছিলো ।

পাশে বসে লেখক নবীন্দ্র চন্দ্র উপস্থিত জনতার কাছে যখন জানতে চাইলেন আমার লেখা নাটকটি আপনাদের কেমন লাগছে? সঙ্গে সঙ্গে নবাবের নামে মিথ্যা নাটকের রচয়িতাকে নবীন্দ্রকে জুঁতোপেটা করলেন।
ইংরেজদের বুঝতে বাঁকি রইলনা বাংলার মানুষের মন থেকে নবাব কে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়। যারা বানোয়াট মিথ্যা গল্প তৈরী করে কাজ হাসিল করতে চান তাদের নিশ্চয় জানা আছে তাদের সময় আত্রাই রাণীনগর একদিনে মাত্র ছয় ছয় জন মানুষকে গলা কেটে হত্যা করে নজির সৃষ্টি করেছিলেন মানুষ কী এত সহজে তা ভুলে যাবে? জে,এমজি বাঁকা লাঠির অমানুষিক নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, হত্যাযজ্ঞ, বাড়িঘর ভাঙ্গা আত্রাই রাণীনগরের মানুষের মন থেকে মুঁছে যাবে কী?

আওয়ামী লীগ কী ভুলে গেছে তাদের নেতা চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, আত্রাইয়ের হাকিম মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছে! আক্কাস আলী সহ ডজন ডজন নেতাকর্মিকে মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানতে হয়েছে। আমার পিতা সর্গীয় পিতা মনিয়ারী ইউনিয়নের দুঃসময়ের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজার রহমানকে নষ্ট চক্ষু নিয়ে ৭৫ বছর বয়সে হাজত খাটতে হয়েছে।

যাহোক দর্শক সাঁরিতে তাদের মিথ্যাচার দেখছেন আত্রাই রাণীনগরে শান্তিকামি জনতা , একশত চুয়াল্লিশ ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, ষোল ইউনিয়ন ও দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্যাগী, নেতাকর্মি ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাধারণ কিছু নেতা কর্মি যাঁরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাণী প্রচার করে দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট ভিক্ষা চেয়ে এমপি তৈরী করেন। এই কুৎসা রটানোর ফলাফল দিবেন সাধারণ মানুষ যাঁরা নকশাল, সর্বহারা, জে, এম,বির বহুমাত্রিক নির্যানতের শীকার হয়ে কেবল শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন। এখন এলাকাতে খুণ খারাপি নেই, হত্যা চাঁদাবাজি নেই, জে, এমবি, বিশেষ বাহিনী নেই।

নিশ্চয় এটা আওয়ামী লীগ সরকার ও সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বড় সফলতা। এই সফলতা কাজে লাগিয়ে আগামী দিনের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মানুষের কাছে ভোট প্রার্থনা করে দলের প্রার্থীকে জয়ী করাই হবে প্রধান কাজ।

লেখকঃ রবীন্দ্র রবীন্দ্রস্মতি সংগ্রাহক ও গবেষক।







এ জাতীয় আরো খবর..




FOLLOW US

ই-মেইল: ‍atozsangbad@gmail.com
ফেইসবুক
ইউটিউব

পুরাতন খবর

sidebar middole




side bottom




© All rights reserved © atozsangbad.com
Design & Developed by: ATOZ IT HOST
Tuhin
x