• রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




পঞ্চগড়ে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

Reporter Name / ৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯




ঐতিহাসিক ২৯ নভেম্বর পঞ্চগড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর ম্যুরালে পুষ্পমালা প্রদান করে সার্কিট হাউজের মূল ফটকের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে শহরের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধ স্বৃতি স্তম্ভের উদেশ্যে যাত্রা শেষ হয়।

পরবর্তীতে বধ্যভুমিতে অবস্থিত বেনিতে পুষ্পস্থবক অর্পণ করেন। সকাল ১১টার সময় পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিধি হিসেবে আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, বিশেষ অতিধি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাদ সম্রাট, মেয়র পঞ্চগড় পৌরসভা মোঃ তহিদুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ইউসুফ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম সারোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন প্রধান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন।

ইতিহাস স্বাক্ষি এই দিনে ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের কঠিণ লড়াই অতিক্রম করে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীদেরকে পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত করেছিলেন স্বর্ণ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ  পর থেকে সারাদেশে পাকবাহিনীদের আক্রমনের শুরুতেই ১৬ই এপ্রিল পর্যন্ত পঞ্চগড় আক্রমনের হামলা থেকে মুক্ত ছিল। পরের দিন ১৭ই এপ্রিল পাকবাহিনী সড়ক পথে বহর নিয়ে পঞ্চগড় সকাল ১১টার সময় দখল নেয়।

পর্যাক্রমে জেলার ৪টি উপজেলা ক্রমনয়ে দখলে নেয় সে সময় তেতুলিয়া উপজেলা ঢুকতে চাইলে পঞ্চগড় সদর উপজেলা ওমরখানা চাওয়াই নদীর ব্রীজ ভাঙ্গতে না পারায় তেতুলিয়া ঢুকতে পারেনি। ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের সময় কাল পর্যন্ত তেতুলিয়া মুক্ত ছিল।

মুক্তিবাহিনী এবং অস্থায়ী সরকারের বিভিন্ন ধরণের কর্যক্রম পরিচালনা অনুষ্ঠিত হত এবং মুক্তিবাহিনীদের সাময়িক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। ২৮শে নভেম্বর পঞ্চগড়ের মুক্তিযোদ্ধারা এলাকার বিভিন্ন দিক থেকে পাকবাহিনীর উপর আক্রমণ করেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের পূর্ব দিকে থাকা ডিফেন্স নিয়ে পাকিস্থানী পাকবাহিনী যুদ্ধ ময়দানে কঠিণ হয়ে পরলে কামাত কাজল দিঘী ইউনিয়নের টুনির হাট এলাকা হয়ে দেবীগঞ্জ এর মধ্য দিয়ে নীলফামারী জেলার ডোমার থানা হয়ে সৈয়দপুর অভিমূখ পিছু হাটতে শুরু করে এবং ওই রাতেই মুক্তিবাহিনীর সম্মিলিত সাড়াশি আক্রমণে পরাজিত হয়ে পাক হানাদার বাহিনী পঞ্চগড়ের মাটি ছেড়ে চলে গেলে ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় হানাদার মুক্ত হয়।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom