• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




পা দিয়ে লিখে মুক্তামনি পেল জিপিএ-৫

Reporter Name / ১০৪ Time View
Update : বুধবার, ১ জানুয়ারী, ২০২০




হাত না থাকায় পা দিয়ে লিখে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অদম্য শিশু মুক্তামনি জিপিএ- ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে এই কৃতিত্ব অর্জন করে সে। বরিশালের হিজলা উপজেলার পত্তণীভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মুক্তামানি (১২)।

বিদ্যলয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ নাছিমা খানম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিচ্ছে। মুক্তামনি পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। আমরা আশা করি সামনের দিনগুলো তার আরো ভালোভাবে কাটবে এবং ভবিষ্যত তার উজ্জ্বল হবে’।

তিনি জানান, পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুইদিন পর দাদী মারা যাওয়ায় মুক্তামনি মায়ের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থান করছে। সে সাভারের একটি স্কুলে ভর্তি হওয়ার কথা জানিয়েছে।

হিজলা উপজেলার পূর্ব পত্তণীভাঙ্গা গ্রামের সেন্টু সরদার ও ঝুমুর বেগম দম্পতির সন্তান মুক্তা। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় ছিল সে। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় বিদুৎপৃষ্টে তার দুই হাত পুড়ে যায়। পরে চিকিৎসকরা তার দুই হাতের কনুইয়ের ওপর থেকে কেটে ফেলেন।

ডান পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের সঙ্গে কলম আটকে স্বাভাবিক গতিতে লিখতে পারে সে। এ অবস্থায় সে পত্তণীভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে ভর্তি হয়।

মুক্তার মা ঝুমুর বেগম ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। মুক্তার ছোট একটি বোন আছে। বাবা সেন্টু সরদার তেমন একটা খোঁজ খবর নেননা বলে জানান মুক্তামনির মা ঝুমুর বেগম।

তিনি জানান, সামান্য আয়ে দুই মেয়েকে পড়াশুনা করাতে কষ্ট হয়। তারপরও মেয়েদের আগ্রহের কারণে পড়াশুনা চালিয়ে নিচ্ছেন। দুই মেয়েকে যাতে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারেন এজন্য তিনি সরকারি সহায়তা চান। মুক্তমনি বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়।

মুক্তামনির পিইসি পরীক্ষা চলাকালে গত ২২ নভেম্বর তাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom