• রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর পাঠ করতে হবে নতুন শপথবাক্য। এক নজরে দেখে নিন নতুন শপথ বাক্য টি! সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম




পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!

Reporter Name / ৮৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯




পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ। পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিক্যাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়েছে। এজন্য ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এ প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো সাফল্য পাননি।

ইউকের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ একধরনের পলিমার, যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এজন্য লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পলিমারটি সত্তর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এসকে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।

 

সূত্র: জাগো নিউজ২৪





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom