• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




যদিও চেয়ারম্যানের আত্মীয় কিন্তু সেই পরিবার গুলি ছিল হত দরিদ্র

Reporter Name / ৫৪৯ Time View
Update : বুধবার, ৬ মে, ২০২০




হত দরিদ্র বিবেচনায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির তালিকায় নাম দেওয়া হয়েছিল। এ রকম তথ্য বেরিয়ে এসেছে নড়াইল সাদরে হবখালী ইউনিয়নের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির তালিকার। যানা যায়, নড়াইলের কাচা বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইকবাল শেখ । বাড়ি সদরের হবখালী ইউনিয়নে । প্রতি হাটবারে মাটিতে বসে কাচা সবজি বিক্রি করে সংসার চালায়। অভাব যেন তার নিত্য সংঙ্গী। চেয়ারম্যানকে বলে কয়ে তার নামে করা হয়েছে ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড। তিনি চেয়ারম্যানের আত্মীয় হওয়ার সুবাদে প্রশ্ন উঠেছে তিনি কেন কার্ড পেলেন। এ নিয়ে চরম দুচিন্তায় ভুকছে ইকবাল শেখের পরিবার। এ দিকে , আসাদুজ্জামান তার দুই চোখ অন্ধ। তার স্ত্রী তামেশা বেগম। যার নামে করা হয়েছে ১০ টাকর চালের কার্ড। দিন আনা দিন খায় এ পরিবারকে করে দেওয়া হয়েছে একটি কার্ড। একে নিয়ে ও কথা ওঠেছে তিনি চেয়ারম্যানের মামি।স্বজন প্রীতি করে কার্ড দেওয়া হয়েছ। অপর দিকে ভান্ডারিপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম তিনি এক জন প্রতিবন্ধী। নিজ গ্রামের বাজারে সাইকেলে লিক সেরে জীবিকা নির্বাহ করে। তার কষ্টের সংসারে অভাব যেন চির সংঙ্গী। এ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নিয়ে জলপনা কল্পনার শেষ নেই। চেয়ারম্যানের সৎ মা রিজিয়া বেগম।তিনি আলাদা খায়। খুপড়ি ঘরে মানবতার জীবন যাপন করছে। তাকে কার্ড করে দেওয়া নিয়ে ও নানা কথা। অন্য এক জন সৎ মা নুর জাহান। তিনি ও আলাদা খান। মুক্তিযোদ্ধা স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছে। নানা বিধ কথা তাকে ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড করে দেওয়ার কারনে। অপর দিকে কামরুজ্জামানের নামের চাল তুলে দেওয়া হয়েছে শিফুলা বেগমকে। একই পরিবারে ২ টি কার্ড এ বিষয়ে খোজ নিয়ে যানা যায়,পরিবার গুলি স্বামী স্ত্রী যখন আলাদা ছিল। তখন দুটি পরিবার কে কার্ড করে দেওয়া হয়েছিল। এখন পরিবার দুুটি এক হয়েছে।

বিষয় নিয়ে কথা হয় হবখালী ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজুর চঞ্চলএর সাথে। তিনি বলেন,গত (৫ মে) বিভিন্ন অনলাইন ভার্সনে, নড়াইলে হবখালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১০ টাকা কেজি চালের তালিকা তৈরিতে অনিয়ম দূর্ণীতির অভিযোগ। শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে। সেটি সম্পূর্ন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন ও উদেশ্য প্রনতিত। একটি কুচক্রী মহল আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য এহেন কুৎসা রটনা করেছ। আমি এ সংবাদের নিন্দ ও প্রতিবাদ জানায়। এ ছাড়া ও নীতিমালা রয়েছে যদি কোন পরিবারে প্রতিবন্ধি কেউ থাকে তাহলে কার্ড পেতে তার অগ্রধিকার থাকবে। তা ছাড়া গ্রামে বসবাস রত ভুমিহীন পরিবার গুলি এ কার্ড পাবে। হত দরিদ্র বিবেচনা করে তাদের কার্ড করে দেওয়া হয়েছে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom