• মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
Headline
শ্রীপুরে পোশাক শ্রমিককে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ আজ গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন দৈনিক সূর্যোদয় সম্মাননা পদক পেলেন লায়ন গনি মিয়া বাবুল দুর্নীতিতে বেপরোয়া চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন গ্রেফতার ১, ভিডিওসহ কে হচ্ছেন ঢাকা মহাগর (উত্তর) ছাত্রলীগের সভাপতি ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আ’লীগ নেতা উমেদ আলী ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ গাজীপুর ইউনিয়ন বাসিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আমিনুল ইসলাম তেলীহাটি ইউনিয়ন বাসিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আরিফ সরকার




যে স্কুলে এসএসসি’র প্রবেশপত্র বাবদ দিতে হয় এক হাজার টাকা

Reporter Name / ২৮৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯




মাদারীপুর সদর উপজেলার ছিলারচর বালিকান্দি শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা নেয়া হচ্ছে। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, শিক্ষার্থীদের বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় প্রবেশপত্র নিতে তাদের এক হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। তবে সব শিক্ষার্থী এই টাকা দিচ্ছে না। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, স্কুল সব বকেয়া টাকা একসাথে ফরম পূরণের সময় দেয়া হয়েছে। এখন স্কুলের উন্নয়নের বিভিন্ন খাতের কথা বলে পরীক্ষার প্রবেশপত্র বাবদ এক হাজার টাকা করে সব পরীক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে। এক হাজার টাকা না দিলে প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর ছিলারচর বালিকান্দি শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ৭০ জন শিক্ষার্থী স্কুলে প্রবেশপত্র বাবদ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে।

জেলা শিক্ষা অফিসের সূত্র মতে, ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুলল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২ ফেব্রæয়াারি শনিবার। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৫ ফেব্রæয়াারি। মাদারীপুর সদর উপজেলায় ৪৮টি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এবার সদর উপজেলা থেকে … জন শিক্ষার্থী অংশ নিবে এসএসসি পরীক্ষায়।

টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছালেহা বেগম বলেন, ‘আমরা প্রবেশপত্র বাবদ এক হাজার টাকা ধরেছি এটা ঠিক। তবে এই টাকা নেয়ার কারণ আছে। এটা অন্য স্কুলের মত নয়। এখানে যারা পড়ে তারা কেউ ঠিকমত টাকা দেয় না। ওই পক্ষার্থীদের বকেয়া টাকা ছিল তাই তাদের প্রবেশপত্র বাবদ টাকা ধরা হয়েছে। তবে সবাই এই টাকা দিচ্ছে না। কেউ ৪০০ কেউ ৫০০ টাকা করে দিচ্ছে। প্রবেশপত্র বাবদ টাকা আদায়ের নিয়ম আছে কিনা এমন প্রশ্ন তুললে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ইউএনও বা শিক্ষা অফিসে আলাপ করে টাকা তুলছি না। তবে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিকে জানিয়ে তাদের সম্মতি নিয়েই এই টাকা তোলা হচ্ছে।

এ সম্পর্কে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আজিবর রহমান বালী মুঠোফোনে আলোকিত সময়কে বলেন, ‘এই স্কুলে নানা সমস্যা আছে। রাজনৈতিক কারণে অনেক ছেলেই ঠিকঠাক টাকা দেয় না। অনেকে ফ্রি পড়ালেখা করে। আমি ঢাকায় আছি। সাক্ষাতে এসে এ বিষয় কথা বলবো।’

জানতে চাইলে জেলা শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমাদের জানা মতে যদি কোন স্কুলে শিক্ষার্থীদের টাকা বকেয়া থাকে তবে তা নির্বাচনী পরীক্ষার আগেই জমা দিয়ে নির্বচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এছাড়াও কিছু শিক্ষার্থী ফরম পূরণের সময় বকেয়া টাকা পরিশোধ করে। তবে প্রবেশপত্র নেয়ার সময় বকেয়া টাকা তোলার কোন নিয়ম নেই। যদি কোন স্কুল প্রবেশপত্র বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তোলা হয় তবে সেই স্কুলের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই স্কুলের বিষয়ে এখনো আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবুও বিষয়টি আমরা খোঁজ নিচ্ছি।’
মাদারীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, ‘প্রবেশপত্র বাবদ টাকা আদায়ের বিষয়ে আমাকে

কেউ জানায়নি বা শুনিও নি। আমি বিষয়টা খতিয়ে দেখতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বলে দিচ্ছে।’





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom