• বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম রাণীনগরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে একই পরিবারের তিন জনকে অপহরণ নাটোক!




রায়পুরে বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

Reporter Name / ৪৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২০




লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার নদী, খাল, বিল ও ডোবা-জলাশয় থেকে দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৫০ থেকে ৬০ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে।

কৃষিজমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশক ও অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার, খাল-বিল-ডোবা ভরাট, উন্মুক্ত জলাশয়ে সেচে ও বাঁধ নির্মাণসহ মাছের বিচরণক্ষেত্রের প্রতিকুল পরিবর্তনের কারণে এটি হচ্ছে।

রায়পুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এক যুগ আগেও এ অঞ্চলে প্রায় ৬০ প্রজাতির দেশীয় মাছ পাওয়া গেলেও বর্তমানে ৫০ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে।

মৎস্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, রায়পুর মেঘনা, ডাকাতিয়া, সরকারি ১২ ফিট খালসহ বেশ কিছু নদী ও ছোট খাল-বিল মাছের প্রধান উৎস। এসব জলাশয়ের মাছ এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হয়।

একসময় জলাভূমিতে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য ছিল। কিন্তু এখন বেশ কিছু প্রজাতির মাছ তেমন দেখা যায় না। দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্তির কারণে স্থানীয় জেলেদের দুর্দিন যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমে মা মাছগুলো ডিম ছাড়ে। ওই সময় এক শ্রেণির মৎস্য শিকারি এগুলো ধরে ফেলে। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন হয় না। তা ছাড়া কতিপয় মাছ চাষি বিভিন্ন দিঘি, পুকুর ইত্যাদি জলাশয় ইজারা নিয়ে বা ফসলি জমিতে মাছের ঘের তৈরি করে। এসব জলাশয় ও ঘের ফিল্টারিংয়ের নামে হিলটন নামের ওষুধসহ বিভিন্ন রাসায়নিকদ্রব্য ব্যবহার করে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধ্বংস করে ফেলছে।

এ ছাড়া কৃষিজমি থেকে রাসায়নিক পদার্থ বর্ষার সময় ও বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য খালের মাধ্যমে নদী ও জলাশয়ে পড়ে পানি দূষিত করছে। ফলে দেশি প্রজাতির মাছ দিন দিন কমে অনেকটা বিলুপ্তির পথে।

রায়পুর উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্র জানায়, আগে দেশীয় প্রজাতির যেসব মাছ দেখা যেত, তার অনেকটা এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিলুপ্ত প্রজাতির মাছের মধ্যে রয়েছে নানদিয়া, রিটা, বাচা, ছেনুয়া, গাওড়া, নাপতিনী, বুইতা ইত্যাদি।

এ ছাড়া বাঘাইড়, গোলসা, পাবদা, আইড়, নামাচান্দা, তারা বাইম, বড় বাইম, কালবাউশ, দাড়কিনাসহ প্রায় ৫০ প্রজাতির মাছ বিপন্ন।

জলাশয়-ডোবা ভরাট, খালগুলোতে পানি সেচে ফেলা, অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা, জমিতে কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারসহ মাছের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

রায়পুর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার বেলায়েত হোসেন বলেন, খাল-বিল, ডোবা-জলাশয়গুলোর শ্রেণি পরিবর্তন করে ইজারা না দেয়া এবং নদী, খাল-বিল, জলাশয়ে অভয়াশ্রম সৃষ্টি করে প্রজননের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

তবে রায়পুরে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজননের সুযোগ তৈরির জন্য ডাকাতিয়া নদীতে দুটি স্থানে অভয়াশ্রম করার প্রস্তাব দিয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তারা চিঠি পাঠিয়েছেন। প্রস্তাব অনুমোদিত হলে কাজ শুরু করবেন।

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, গণসচেতনতা তৈরি করে কৃষিজমিতে অনিয়ন্ত্রিত কীটনাশকের ব্যবহার রোধ এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না করা গেলে বিপন্ন প্রজাতির এসব মাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom