শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন




শ্রীপুর পৌর যুবদলকে সুসংগঠিত করতে চাই-আনোয়ার বেপারী

মোঃ নাজিম উদ্দিন গাজীপুর জেলাপ্রতিনিধি
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১২১ Time View

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে বেড়াইদেরচালা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী আলহাজ্ব ধনাই বেপারী ১৯৮০ সালের ১০শে মে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী বেপারী, মাতা আনোয়ারা বেগম।

আলহাজ্ব ধনাই বেপারী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় হইতে ব্যবসায় বিভাগে ১৯৯৭সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। ২০০০ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন কলেজ হইতে ব্যবসায় শিক্ষায় উত্তীর্ণ উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন । অতঃপর উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে ভর্তি হয়ে লেখা পড়া চালিয়ে যান।

আনোয়ার বেপারী সমাজের উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ও ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৬ সালে বাইতুল আমান জামে মসজিদের কার্যকরী পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন । তিনি ২০১২ সালে মোহাম্মদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজের আজীবন দাতা সদস্য মনোনীত হন এবং অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত হন । জামিয়া মোহাম্মদিয়া সুলতানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সদস্য পদ লাভ করেন। তিনি বেড়াইদের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য নির্বাচিত হন।

ছাত্র জীবন থেকে শহীদ জিয়ার আদর্শের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৬ সাল হতে শ্রীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি শ্রীপুর পৌর ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত হন এবং পর্যায়ক্রমে পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি এবং ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছেন।

বিএনপি ঘোষিত প্রত্যেকটা মিটিং মিছিলে আন্দোলন সংগ্রামে তার ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। শ্রীপুর পৌর যুবদলের প্রত্যেকটা মিটিং মিছিল আন্দোলন সংগ্রাম হরতাল অবরোধে তার ভুমিকা ছিল অপরিহার্য। পরবর্তী সময়ে গাজীপুর জেলা যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। গাজীপুর জেলা যুবদলের সব মিটিং মিছিল আন্দোলন সংগ্রাম হরতাল অবরোধে অগ্রনী ভুমিকা রাখেন এবং তিনি গাজীপুর জেলা যুবদলের সহ প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন। শ্রীপুর পৌর যুবদলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সবকটি মিটিং মিছিল আন্দোলন সংগ্রাম হরতাল অবরোধে অংশগ্রহন করেন। যার কারণে অনেক মামলা হামলার শিকার হতে হয়। তার নামে মোট ১৩টি রাজনৈতিক মামলা হয়।দিনের পর দিন কাটে আদালতের বারান্দায়। পরিবার পরিজন ছাড়া মাসের পর মাস বাড়িঘর ছেড়ে থাকতে হয়।

আলহাজ্ব ধনাই বেপারী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় হইতে ব্যবসায় বিভাগে ১৯৯৭সালে এসএসসি উত্তীর্ণ হয়। ২০০০ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন কলেজ হইতে ব্যবসায় শিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরবর্তী সময়ে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে ভর্তি হন।

আনোয়ার বেপারী সমাজের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ও ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৬ সালে বাইতুল আমান জামে মসজিদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন । তিনি ২০১২ সালে মোহাম্মদিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি পিয়ার আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজের আজীবন দাতা সদস্য হন এবং পরবর্তী সময়ে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ন আহবায়ক হন। জামিয়া মোহাম্মদিয়া সুলতানিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সদস্য হন।পরবর্তী সময়ে বেড়াইদের চালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য নির্বাচিত হন।

ছাত্র জীবন থেকে শহীদ জিয়ার আদর্শের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। ১৯৯৬ সাল হতে শ্রীপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি শ্রীপুর পৌর ৭ নং ওয়াড ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে পৌর যুবদলের সহ-সভাপতি এবং ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে জড়িত আছেন।

বিএনপি ঘোষিত প্রত্যেকটা মিটিং মিছিলে আন্দোলন সংগ্রামে তার ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। শ্রীপুর পৌর যুবদলের প্রত্যেকটা মিটিং মিছিল আন্দোলন সংগ্রাম হরতাল অবরোধে তার ভুমিকা ছিল অপরিহার্য। পরবর্তী সময়ে গাজীপুর জেলা যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। গাজীপুর জেলা যুবদলের সব মিটিং মিছিল আন্দোলন সংগ্রাম হরতাল অবরোধে অগ্রনী ভুমিকা রাখেন এবং তিনি গাজীপুর জেলা যুবদলের সহ প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি শ্রীপুর পৌর যুবদল কে সুসংগঠিত করে একটি সুশৃংখল দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান। বাংলাদেশের করোনা কালীন সময়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। যারা করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের আশু রোগমুক্তি কামনা করেন।




More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Atozithost
Design & Developed by: ATOZ IT HOST
Tuhin