• বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০১ অপরাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর পাঠ করতে হবে নতুন শপথবাক্য। এক নজরে দেখে নিন নতুন শপথ বাক্য টি! সমাজ উন্নয়নে অংশীদারীত্ব হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা ফয়সাল এখনই উঠছে না লকডাউন। বাড়ছে বিধিনিষেধ। সিদ্ধান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের। শ্রীপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত কঠোর লকডাউন কতোটা ফলপ্রসূ? সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ। করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নড়াইলে মাশরাফির ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ কি কি থাকছে সাত দিনের কঠোর লকডাউনে? লাগামহীন করোনার ভয়াবহতা! সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন, মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্রের তালিকায় অপার সম্ভাবনার নাম সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা নতুন সাতটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পূর্ণ করলো শ্রেষ্ঠ ডট কম




সান্তাহারে দিনে ৬০ বার’র বেশি রেলক্রসিংয়ের বার ফেলা হয়। দীর্ঘ যানযট ভোগান্তি চরমে

Reporter Name / ৩৬৯ Time View
Update : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১




বুলবুল আহম্মেদ: বগুড়ার সান্তাহার রেলগেট রেলক্রসিং পেরিয়েই সান্তাহার জংশন স্টেশন । প্রতিদিন এই স্টেশন দিয়ে আসা-যাওয়া করে অর্ধ-শতাধিক ট্রেন। এ কারণে যানজট লেগেই থাকে রেলগেট এলাকায়। সকাল ও বিকেল বেলা মানুষের ব্যস্ততা বেড়ে গেলে রেলক্রসিয়ের যানজট আরও ছড়িয়ে যায় শহরের ভিতর পর্যন্ত। তখন এটি পূর্বে সান্তাহার শহরের ভিতর, পশ্চিমে নওগাঁ রোড পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। রেল ক্রসিংয়ের বার ফেলে রাখার কারণে পুরো সান্তাহারে যান চলাচল বন্ধ থাকে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময়।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যার কারণে যানজটের মাত্রা বেড়েছে। প্রতিদিন আন্তনগরের বিভিন্ন রুটের ২৮টি ট্রেন সান্তাহার জংশন স্টেশনে আসে। এছাড়াও কমিউটার ট্রেন চলাচল করে ১২টি ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করে ১০ থেকে ১২টি। যার কারণে সারা দিন ৬০ থেকে ৭০ বার রেল ক্রসিংয়ের প্রতিবন্ধক ফেলা হয়। প্রতিবার গড়ে পাঁচ থেকে দশ মিনিট করে রেলক্রসিংয়ের বার ফেলে রাখা হয়। সম্প্রতি দুপুর একটার পর সরেজমিন দেখা গেছে, সান্তাহার রেলগেট এলাকায় রেল লাইনের ওপর আড়াআড়ি বসে আছেন ফল বিক্রেতারা। ঢাকাগামী একটি ট্রেন কাছাকাছি এলে ফলের ঝুড়িগুলো একটু পাশে সরিয়ে নিলেন। মিনিট দশেক পর পাশাপাশি দুটি লাইন দিয়ে চলে গেল আরও দুটি ট্রেন। তখন ফলের ঝুড়িগুলো তুলে রেললাইনের পাশে রাখলেন তাঁরা। ট্রেন আসার আগে রেলক্রসিংয়ের দুইটি প্রতিবন্ধক ফেলার আগে বেঁধে যায় হুড়োহুড়ি। পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা, পিকআপ ভ্যানসহ যানবাহনগুলো দ্রুত পারাপারের চেষ্টা করতে থাকে।

প্রতিবন্ধকগুলো ফেলার পর হুড়োহুড়ির মাত্রা আরও বেড়ে যায়। মোটরসাইকেল আরোহীদের অনেকে সেগুলো উঁচু করে বের হয়ে যান। এই সুযোগ নেন পথচারীরাও। বাধ্য হয়ে অনবরত হুইসিল বাজিয়ে ধীর গতিতে চলতে থাকে ট্রেনগুলো। তবে প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে যানজট আরও দীর্ঘ হয় বলে জানান সান্তাহার জংশন স্টেশন মাস্টার হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, সান্তাহার শহরের প্রবেশদ্বার রেলগেটের উপর দিয়ে যাওয়া রাস্তাটি। রেলক্রসিংয়ের প্রতিবন্ধকগুলো অনেক সময় ২০ মিনিটেরও বেশি পড়ে থাকে। ট্রেন চলে গেলেও জটলা কাটে না। রেলগেট এলাকা থেকে যদি বাইপাস রাস্তা করা হয় অথবা ফ্লাইওভার ব্রীজ নির্মাণ করা হয় তাহলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।





আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category




side bottom